ইসলামী শরিয়াভিত্তিক মুদারাবা বন্ড ইস্যু করে ৭০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। ব্যাংকটির ২৫৩তম পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এজন্য সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতির পর পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন হবে কোম্পানিটির।

সভা শেষে ইসলামী ব্যাংক জানায়, পরিকল্পনা অনুসারে সেকেন্ড মুদারাবা রিডিমেবল নন-কনভার্টেবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডটির মেয়াদ হবে সাত বছর। শরিয়াভিত্তিক এ বন্ডের কোনো অংশ শেয়ারে রূপান্তরিত হবে না। শরিয়াভিত্তিক হওয়ায় এ বন্ডের বিপরীতে কোনো সুদ দেয়া হবে না। বরং মুদারাবা নীতির ভিত্তিতে বন্ডের বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা দেয়া হবে।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক। গেল হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ২ টাকা ১২ পয়সা (বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের পর)। ৩০ জুন এর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ৩০ টাকা ৩৪ পয়সায়।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ২ টাকা ১১ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে ইসলামী ব্যাংক, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৬১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩১ টাকা ৪৪ পয়সায়।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ৩১ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে ব্যাংকটি। আগের বছর একই সময়ে তা ছিল ৪৬ পয়সা।

দীর্ঘমেয়াদে ইসলামী ব্যাংকের ঋণমান ‘ডাবল এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও হালনাগাদ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে সম্প্রতি এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড।

ডিএসইতে ইসলামী ব্যাংক শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ৩৩ টাকা ৭০ পয়সা। গত এক বছরে এ শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ৪৯ টাকা ৩০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ২৮ টাকা ৮০ পয়সা।