পায়ে ঠিকমতো বাতাস লাগতে দেয়া

শিশুকে এমন জুতা কিনে দিতে হবে, যার ভেতর দিয়ে বাতাস আসা-যাওয়া করতে পারে। যেমন : ক্যানভাস, চামড়া ইত্যাদির তৈরি জুতা। এ ধরনের জুতায় পা কম ঘামে। প্লাস্টিক বা অন্যান্য সিনথেটিক জুতা, যার মধ্যে ছিদ্র নেই এমন জিনিস পরা উচিত নয়। কেননা, এর ভেতর যেহেতু বাতাস চলাচল করে না, তাই বাজে গন্ধ আটকে থাকে।

জুতা বদল করে পরা

শিশু একই জুতা প্রতিদিন পরলে তার ভেতরটা শুকানোর সুযোগ পায় না। এতে হাঁটাচলার জন্য পা ঘেমে জুতার ভেতর যে ভেজা ভেজা ভাব সৃষ্টি হয়, তা রয়ে যায়। ভেজা জুতা পরার কারণে পায়ের চামড়া নষ্ট হয়ে উঠে যায় এবং দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়।

অনেক সময় ক্রমাগত ভিজে থাকার জন্য পায়ের চামড়া সাদা হয়ে যায়। এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে শিশুর জন্য দুই জোড়া জুতা কিনে একদিন এক জোড়া, দ্বিতীয় দিন আরেক জোড়া এভাবে অদল- বদল করে পরতে হবে। এতে করে জুতা ভালো করে শুকানোর জন্য পুরো একদিন সময় পাবে। আর শিশুর পায়ে অতিরিক্ত গন্ধ হলে দিনে দুবার জুতা বদলে দিতে হবে।

মোজা বারবার বদল করে পরা

অনেক সময় শুধু মোজাই শিশুর পা দুর্গন্ধমুক্ত করতে পারে। তাই প্রয়োজনমতো দিনে দু-তিনবার বদলাতে হবে। তবে তাই বলে যেকোনো ধরনের মোজা পরালেই চলবে না। খাঁটি সুতির মোজা ভেজা ভেজা ভাব ধরে রাখে। তাই এ ক্ষেত্রে বাতাস চলাচল করতে পারে এমন জিনিসের তৈরি মোজা, যেমন—সুতি ও সিনথেটিকের মিশ্রণে তৈরি মোজা পরাতে হবে। কারণ, এ ধরনের মোজার ভেতর দিয়ে বাতাস চলাচল করতে পারে বলে পায়ের ঘাম তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

গোসলের পর পায়ের পাতাপাউডার  দেয়া

জুতা-মোজা বদলেও পায়ের দুর্গন্ধ দূর না হলে শিশুকে প্রতিদিন খুব ভালো করে পা ধোয়ার অভ্যাস করাতে হবে। এরপর লক্ষ রাখতে হবে, শিশুর পা যেন ভালোভাবে শুকানো হয়। তারপর পায়ে ‘ফুট পাউডার’ দেওয়া যেতে পারে। এতে করে পায়ে কিছুটা ভেজাভাব থেকে গেলেও পাউডার তা শুষে নেয়।