প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, শিক্ষার্থীদেরকে চাকরী খোঁজার পরিবর্তে বরং উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করতে হবে যাতে করে শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা যায়।

ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত জামশেদপুরে টাটা স্টীলের সিগনেচার ইভেন্ট সামভাদের সমাপনী দিনে ভারতের সকল অঞ্চল থেকে আগত বিপুল সংখ্যক উপজাতি তরুণ-তরুণী, উন্নয়ন কর্মী ও বিজ্ঞজনদের উদ্দেশ্যে তিনি একথা বলেন।

এই সমাবেশের উদ্দেশ্য উপজাতি সত্ত্বার উপর সংলাপ ও আলোচনাকে উৎসাহিত করা।

জামশেদপুরে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবারের মতো অষ্ট্রেলিয়া, কানাডা ও কেনিয়া থেকে আন্তর্জাতিক উপজাতি প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত চার দিন ব্যাপী এই সমাবেশের মূল বিষয়বস্তু ছিল উপজাতি তরুণদের আশা-আকাংখ্যা। উত্তর-পূর্ব, মধ্য ও পশ্চিম ভারতের ২০টি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে উপজাতি তরুণ-তরুণীরা এতে অংশ নেন।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, “পুঁজিবাদী কাঠামোর উপর গড়ে ওঠা আমাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ধরে নেয়া হয় যে, মানুষকে অন্যের চাকুরী করে জীবন ধারণ করতে হবে। কিন্তু আমাদের জন্ম এজন্য হয়নি।”

উপজাতি তরুণদের স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করে তিনি বলেন, “আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদেরকে অন্যের কর্মচারী হতে শিক্ষা দেয়। কিন্তু তাদের উচিত কর্মচারী বা উদ্যোক্তা দু’টো হবারই শিক্ষা দেয়া।