লাইফস্টাইল: আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় অনেকেই সর্দি-কাশিতে ভোগেন। বিশেষ করে, গ্রীষ্মে যথেষ্ট গরম না পড়লে অথবা শীতকালে তাপমান তেমন না নামলে চট করে এই রোগ দেখা দেয়। এছাড়াও ঋতু পরিবর্তনের সময় এই রোগের কবলে পড়তে পারেন অনেকে। সর্দি অত্যন্ত ছোঁয়াচে অসুখ। বাড়িতে কেউ সর্দিতে আক্রান্ত হলে পরিবারের অন্য সদস্যরাও একে একে ভুগতে শুরু করেন। তাই এ রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত সবার।

# সাধারণত প্রাপ্তবয়স্করা বছরে ৩-৪ বার আর নাবালকরা বছরে ৬-১০ বার সর্দি-কাশিতে ভোগেন।

# সংক্রামিত স্থান স্পর্শ করার পরে নাক বা চোখ ছুঁলে সর্দি লাগে। তুলনায় মুখ দিয়ে সর্দির ভাইরাস শরীরে ঢোকে কম। সর্দিতে আক্রান্ত কেউ হাঁচলে বা কাশলে, তার শরীর থেকে বের হওয়া সংক্রামিত তরলের অতি ক্ষুদ্র ফোঁটা হাওয়ায় ভাসে। নিঃশ্বাস নেয়ার সময় কোনোভাবে সেই বাতাস নাক দিয়ে ভেতরে চলে গেলে সর্দি অবধারিত।

# ২০০-র বেশি ভাইরাস থেকে সর্দি হতে পারে। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ভাইরাসদের বলা হয় হিউম্যান রাইনোভাইরাসেস (এইচআরভি)। এর মাধ্যমেই ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে যে কোনো রকম সর্দি লাগে। মাত্র একদিনে এই ভাইরাস ১.৬ কোটি ভাইরাস উৎপাদন করতে সক্ষম।

# প্রতি সেকেন্ডে মানুষের প্রশ্বাস ৪.৫ ফিট অতিক্রম করে। হাঁচলে বাতাসে ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগে ছুটে চলে সংক্রামিত তরলের ছোট্ট ফোঁটা। হাঁচি থেকে বের হওয়া সেই ফোঁটাগুলো ৬ ফিট দূরত্ব পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

# প্রচলিত ধারণায়, ভিটামিন সি সর্দি সারায়। তবে স্মিথসোনিয়ান থেকে জানা যায়, প্রতিদিন ০.২ গ্রাম ভিটামিন সি খেলে সর্দির মেয়াদ দু’-এক দিন অবধি কমে।